উইন্ডোজ, ভাইরাস এবং বিটডিফেন্ডার

2019-IS-EN

উইন্ডোজ কম্পিউটারে এন্টিভাইরাস কেন প্রয়োজনীয়?
আসলে এন্টিভাইরাস থাকা এমন একটি ব্যাপার, যেটা না থাকলেও নয় আবার শুধু এন্টিভাইরাস ইন্সটল করেই আরামে বসে থাকবেন সেটা করলেও হবে না। আপনার সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অবশ্যই সিকিউরিটি প্র্যাকটিস গুলো নিয়মিত করতে হবে। আপনাকে জেনে বুঝে কখনোই ভুল করা যাবে না। আপনার কম্পিউটার কোন সময় কিভাবে হ্যাক হয়ে যাবে, আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। আপনি হয়তো মেইলে কোন ম্যালিসিয়াস লিঙ্ক ক্লিক করেন না, বা অবৈধ সফটওয়্যার ব্যবহার করেন না, ম্যালিসিয়াস ওয়েবসাইট গুলো ভিজিট করা থেকে বিরত থাকেন, কিন্তু তারপরেও আপনার কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার চলে আসতে পারে। জিরো-ডে ভালনেরাবিলিটি বলে একটি টার্ম রয়েছে যা কোন সফটওয়্যারের কোন অজানা ত্রুটি যদি ঐ সফটওয়্যার কোম্পানি বা ইথিক্যাল হ্যাকার জানার আগে একজন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার জানতে পেরে যায় এবং তার মাধ্যমে অ্যাটাক করে সেটাকে জিরো-ডে ভালনেরাবিলিটি বলে হয়। অর্থাৎ অ্যাটাক হওয়ার আগ পর্যন্ত এটা দুনিয়ার কেউ জানতই না, এরকম কোন ত্রুটি কোন সফটওয়্যারে মজুদ থাকতে পারে।

এই ক্ষেত্রে আপনি অনেক এক্সপার্ট হয়েও কি করবেন? হ্যাঁ, অনেক সময় এন্টিভাইরাসও এই অ্যাটাক আটঁকাতে পারে না, কিন্তু অনেক মডার্ন এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম অজানা কোন প্রসেস কম্পিউটারে দেখলেই সেটাকে ব্লক করে দেয়, এভাবেও আপনি জিরো-ডে অ্যাটাক থেকে বেঁচে যেতে পারেন। অনেক টাইপের ম্যালওয়্যার রয়েছে, হয়তো আপনি জানেনই এরকম কোন ম্যালওয়্যার মজুদ থাকতে পারে, কিন্তু এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম গুলোর কাছে বিশাল ডাটাবেজ থাকে, আর তারা সেটাকে নিয়মিতই আপডেট করে, একটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার অবশ্যই আপনার চেয়ে বেশি ভালো ম্যালওয়্যার চিনতে পারবে এবং আপনার পিসিকে সুরক্ষা প্রদান করতে পারবে। আজকাল শুধু কোন ওয়েবসাইটের লিঙ্ক ওপেন করেই আপনার কম্পিউটার আক্রান্ত হয়ে পড়তে পারে, আপনি সেটা ম্যানুয়ালি কখনোই ঠেকাতে পারবেন না। তাই অবশ্যই আপনি যতই এক্সপার্ট হউন না কেন, আপনার এন্টিভাইরাস থাকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

সেরা এন্টিভাইরাস ২০১৯
আপনি যদি সিকিউরিটি সম্পর্কে অনেক বেশি তৎপর হোন এবং হাই সিকিউরিটি ডিম্যান্ড করেন, সেই ক্ষেত্রে আপনার পেইড এন্টিভাইরাসের দিকে নজর দিতে হবে। যদি এন্টিভাইরাস টেস্ট রেজাল্টের দিকে দেখা হয়, বিটডিফেন্ডার নিয়মিতই ভালো স্কোর করে আসছে। এর ফ্রী এবং পেইড ভার্সন দুটোই রয়েছে। এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামটির সবচাইতে ভালো ব্যাপার হচ্ছে, এটি লাইটওয়েট একটি প্রোগ্রাম, সাথে এদের প্রচন্ড সুনাম রয়েছে সব জায়গায়। হাই প্রোটেকশনের জন্য কখনোই ফ্রী এন্টিভাইরাস বা উইন্ডোজের সাথে বিল্ট ইন এন্টিভাইরাস রেকোমেন্ড করা যাবে না , কেনোনা সেগুলো এতোটা শক্তিশালী হয়না।
এন্টিভাইরাস কখনো অবৈধভাবে চালানোর চেষ্টা করা উচিত নয়। হ্যাক ভার্সন ডাউনলোড করে ইউজ করবেন না। অবশ্যই একটি লিগ্যাল ভার্সন ব্যবহার করবেন। নতুবা দেখতে পাবেন, আপনার এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামটি নিজেই ক্ষতিকারক ‘ম্যালওয়্যার’ হিসেবে কাজ করছে। আপনি আপনার প্রোটেকশনের জন্য একে ইন্সটল করেছেন, কিন্তু সেটা আপনার উল্টা ক্ষতিই করবে।
তাই সবসময় অরিজিনাল পেইড লাইসেন্স এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যাবহার করা উচিত এবং বিশ্বের ১নং এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার বিটডিফেন্ডার ব্যাবহার করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

আপনি কেন বিটডিফেন্ডার ব্যাবহার করবেন?
দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিশ্বের ৫০ কোটি প্রযুক্তিপ্রেমীদের আস্থা অর্জন করে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বিটডিফেন্ডার অ্যান্টিভাইরাস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিটডিফেন্ডার শীর্ষ অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।

কম্পিউটার বা অফিস নেটওয়ার্ক যেকোনো সময় ভাইরাস বা হ্যাকার দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। ফেসবুক, টুইটার আর গুগল সার্চের ফেক লিংক, স্মার্টফোনের অ্যাপ, ইউআরএল শর্টেনিং সার্ভিস, ই-মেইল, অনলাইন বিজ্ঞাপন আর বহুল প্রচলিত ইউএসবি (পেন) ড্রাইভ এর মাধ্যমে যেকোনো সময় ঘটতে পারে সাইবার ক্রাইম। শক্তিশালী ও ফিচার সমৃদ্ধ অ্যান্টিভাইরাস ছাড়া কম্পিউটারের জন্য প্রতিনিয়তই নতুন নতুন ফাঁদ পেতে তৈরি থাকে ভাইরাস/ম্যালওয়ার/ট্রোজান/স্পাইওয়ার/ফিশিং আর হ্যাকাররা।
দেশের প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদেরকে সাইবার জগতে সুরক্ষিত রাখতে বিটডিফেন্ডার ইন্টারনেট সিকিউরিটি অ্যাপ্লিকেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিট ডিফেন্ডার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে অনলাইন হুমকি চিহ্নিত করে তা উৎখাত করে।

বিটডিফেন্ডারের উল্লেখযোগ্য ফিচার সমূহের মধ্যে রয়েছে অনলাইন থ্রেট প্রিভেনসশন, অ্যাডভান্সড থ্রেট ডিফেন্স, ফাইল এনক্রিপশন, ইমপ্রুভড প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, ওয়েবক্যাম প্রটেকশন, অ্যান্টি ফিশিং, ফাইল স্রেডার, ভালনেরাবিলিটি স্ক্যান, অ্যান্টি ফ্রড, ওয়াই-ফাই সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার, ডিভাইস অ্যান্টি থেফট, ওয়ান ক্লিক অপটিমাইজার, ডিস্ক ক্লিনআপ, সেফ ফাইলস, র‌্যানসমওয়্যার প্রটেকশন অ্যান্টি স্প্যাম, ফায়ারওয়াল সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফিচার, যা পিসিকে পুরোপুরি নিরাপদ রাখবে।
রোমানিয়ার নেতৃত্বস্থানীয় অ্যান্টিভাইরাস ও বিশ্বের অন্যতম সাইবার সিকিউরিটি ব্র্যান্ড ‘বিটডিফেন্ডার’ এর বাংলাদেশে পরিবেশক হচ্ছে দেশের অন্যতম বড় তথ্য প্রযুক্তি পণ্য পরিবেশক কোম্পানি গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লি.।

মো: সোলায়মান আহমেদ জীসান
এপিএম, বিটডিফেন্ডার
গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড

Shop By Department