পেনড্রাইভ কিনতে আমরা যেসব ভুল করে থাকি।

uv320 adata

সাধারনত পেনড্রাইভ বলতে আমরা একটি ছোট এবং বহনযোগ্য স্টোরেজ ইউনিটকেই বুঝে থাকি। প্রতিদিনের কাজে এটি অনেকভাবে আমাদের উপকার করে থাকে। তবে পেনড্রাইভ কিনার ক্ষেত্রে অনেকেই অনেক বিষয় খেয়াল করে থাকেন না। শুধুমাত্র স্টোরেজ ধারনক্ষমতা দেখেই আমরা পেনড্রাইভ কিনে থাকি। আবার অনেকক্ষেত্রে ৩২ জিবি পেনড্রাইভ লেখা থাকলেও দেখা যায় এতে ৪ জিবি স্টোরেজও নেই এবং নকল পেনড্রাইভ কিনে প্রতারণার স্বীকার হই।

পেনড্রাইভ ক্রয় করার আগে কিছু ব্যাপার দেখে নেয়া ভালো। কারন অনেক ক্ষেত্রে পেন্ড্রাইভের স্টোরেজ থেকে পেন্ড্রাইভের রিড এবং রাইট স্পিডটা অনেক গুরুত্বপুর্ন।

১। স্টোরেজের পাশাপাশি পেনড্রাইভের ইন্টারফেস দেখে কিনুন। ইউএসবি ২.০ নাকি ৩.১ বা  ৩.২ নিবেন এটি সম্পূর্ন আপনার উপরে নির্ভর করে থাকে। তবে, তৃতীয় প্রজন্মের পেনড্রাইভগুলো ইউএসবি ২.০ সাপোর্ট করবে। এই ইন্টারফেসের বা ইউএসবি পোর্টের উপরে সাধারনত ডাটা রিড এবং রাইট স্পিডের উপরে নির্ভর করবে।

২। আন-অথোরাইসড জায়গা থেকে পেন্ড্রাইভ কিনে প্রতারিত হবেন না। সাধারনত যেসব পেনড্রাইভের ব্র্যান্ড বাজারে বেশি বিক্রি হয়ে থাকে সেগুলোর নকল ভার্শন বানানো হয়ে থাকে। এছাড়া পেনড্রাইভে সমস্যা হলে ওয়ারেন্টি নিয়ে ঝামেলা হবে আন-অথোরাইজড দোকান থেকে কিনলে। তাই অথোরাইজড সেলার থেকেই পেনড্রাইভ কিনা উচিত।

৩। ওয়ারেন্টি, সাধারনত সব পেনড্রাইভে লাইফটাইম ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকে। তবে এক্ষেত্রেও কিছু কিছু পেন্ড্রাইভ ব্র্যান্ড লাইফটাইম ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকে না। অধিকাংশ পেনড্রাইভের ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা রাইট করার মতো ক্ষমতা থেকে থাকে। এর পরে পেনড্রাইভে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে অধিকাংশ পেনড্রাইভ অনেক দিন দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে।

৪। সবক্ষেত্রে ছোট পেনড্রাইভ ভালো হয়ে থাকে না কারন কিছু কিছু পেনড্রাইভ কোম্পানি ছোট সাইজের পেনড্রাইভে ভালো মানের চিপ ব্যাবহার করে থাকে না। তার মানে এই নয় যে ছোট আকারের পেনড্রাইভগুলো ভালো নয়। জনপ্রিয় পেনড্রাইভ ব্র্যান্ডগুলো যেমন, ADATA ব্র্যান্ডের কিছু পেন্ড্রাইভ আছে যেগুলো অপেক্ষাকৃত দামী কিন্তু যথেস্ট ছোট আকারের। এসব পেনড্রাইভে যথেষ্ট ভালো মানের চিপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

৫। একাধিক পোর্টের পেনড্রাইভ। অনেকে ওটিজি সুবিধার জন্য একাধিক পোর্টের পেনড্রাইভ কিনে থাকেন। এক্ষেত্রে সস্তা পেনড্রাইভ গুলোর রিড এবং রাইটিং স্পিড অনেক কম হয় এবং মাঝে মাঝে পেনড্রাইভ ফোনে লাগালে নাও ডিটেক্ট হতে পারে। তাই এক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত বেশি দামের পেনড্রাইভ নেয়া ভালো।

৬। শক্তোপোক্ত বিল্ড কোয়ালিটির পেনড্রাইভ কিনুন। সাধারনত পেনড্রাইভ প্লাস্টিকের খোলসের মধ্যে থেকে থাকে কিন্তু মেটাল বিল্ড খোলস থাকলে পেনড্রাইভ ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

দামের খবরঃ বাজারে ৪০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত পেনড্রাইভ পাওয়া যাচ্ছে। ১৬ জিবি ADATA ব্র্যান্ডের পেনড্রাইভগুলো ৪০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে। ৩২ জিবি পেনড্রাইভগুলো মডেলভেদে ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকার ভিতরে পাওয়া যাবে। এর ৯০০ টাকা পর থেকে ৬৪ জিবি পেনড্রাইভ পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে মডেলভেদে এবং পেনড্রাইভের বিল্ড কোয়ালিটি ভেদে দামের তারতম্য হতে পারে।

ধন্যবাদ। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shop By Department