মাল্টি-মনিটর সেটাপ কেন? কি দরকার? কাদের জন্য?

Philips new 0006 - cover

বিশাল স্প্রেডশিটের সাথে মাল্টিটাস্কিং অথবা ভিডিও এডিটের টাইমলাইন প্রিভিউ করতে অনেকের সাধারন মনিটরের থেকে বেশি জায়গার প্রয়োজন পড়ে। অনেকেই এক্ষেত্রে ডুয়াল মনিটর সেটাপ করার চিন্তা করে থাকেন। বর্তমানে দেশে মিডিয়া কন্টেন্ট এবং গেম স্ট্রিমের হার বাড়ছে এবং এক্ষেত্রে অনেকেই একটা প্রাইমারি মনিটরের সাথে ২য় একটি অতিরিক্ত মনিটর কেনার কথা চিন্তা করে থাকেন।

কেন এই ডুয়াল মনিটর সেটাপ?
ডুয়াল মনিটর সেটাপ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাল্টিটাস্কিং এর জন্য হয়ে থাকে। মাল্টিটাস্কিং বলতে মিডিয়া কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, ভিডিও বা ফটো এডিটর, বড় স্প্রেডশিটে যারা কাজ করেন তাদের জন্যই মুলত। এর বাইরেও অনেক প্রফেশনালদের ডুয়াল মনিটর ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে থাকে। এক গবেষণায় জানা যায় একাধিক মনিটর ব্যবহারের ক্ষেত্রে কাজ করার ফলাফল ৪০% বেড়ে যায় সেটা যে পেশাই হোক না কেন। কারন বার বার সফটওয়ারের উইন্ডো সুইচ করলে কাজে ধীরগতি এসে যায় যার সমাধান ডুয়াল মনিটর সেটাপ অথবা আল্ট্রাওয়াইড মনিটর।

ডুয়াল মনিটর স্ট্যান্ডার্ড
বর্তমানে ডুয়াল মনিটরে কাজ করাটা একটি সাধারন পর্যায়ে চলে গিয়েছে। গেমিং এর ক্ষেত্রে অধিকাংশ স্ট্রিমাররা ডুয়াল মনিটর পছন্দ করে থাকেন যেখানে প্রথম ডিসপ্লে গেমিং এর জন্য এবং সেকেন্ডারি ডিসপ্লে হবে স্ট্রিম কন্ট্রোল করার জন্য এবং স্ট্রিমের চ্যাট দেখা বা ভিউয়ারদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য। কাজের ক্ষেত্রে তো আগেই বলা হয়েছে ডুয়াল মনিটর কীভাবে উপকারে এসে থাকে। ডুয়াল বা মাল্টি-মনিটর সেটাপের ক্ষেত্রে মূল কাজে মননিবেশ করা সহজ হয়ে পড়ে।

সেটাপের লুকস
ওয়ার্কস্টেশনের জন্য মাল্টি-মনিটরের মধ্যে ডুয়াল মনিটর যারা কিনে থাকেন তাদের মধ্যে বেশিরভাগই মাল্টিটাস্কিং করার কথা চিন্তা করেই সেকেন্ডারি মনিটর কিনে থাকেন। পার্সোনাল হোক কিংবা অফিস সেটাপ, মনিটর সেটাপ করতে গেলে অনেকেই ভেবে থাকেন দুইটা মনিটর পাশাপাশি রাখলে ভালো দেখাবে কিনা কিংবা মনিটরের বেজেলটা কতটা কম হলে ভাল হয়। কারন বর্তমানে মনিটরগুলোর ডিজাইন আরোও বেশি স্মার্ট এবং স্লিম হয়ে গিয়েছে। তাই ডিসপ্লে বেজেল যদি কম হয় তাহলে ভিউইং এক্সপেরিয়েন্স হবে আরো ভালো।

ডুয়াল মনিটরের ক্ষেত্রে ২২ অথবা ২৪ ইঞ্চি মনিটর বর্তমানে একটি সাধারন পছন্দ। সাধারনত এই আকারের মনিটরগুলো তেমন বড় হয়ে থাকে না যা আপনার কম্পিউটার ডেস্কে তেমন জায়গা নিবে না।
স্লিম বেজেল এবং কম জায়গা নেয় এমন পাতলা মনিটর হল Philips এর 226E9 মনিটরটি একটি আদর্শ মনিটর মাল্টি-মনিটর সেটাপ করার ক্ষেত্রে।   


ডিসপ্লে প্রযুক্তি
যে কোন ধরনের ওয়ার্কস্টেশন মনিটরের জন্য সেরা চয়েস হবে IPS প্রযুক্তির মনিটর। তবে খেয়াল রাখা উচিত আপনার বসার স্থানের সাথে মনিটররের অবস্থান যেন আরামদায়ক হয়। এছাড়াও ভিউইং এংগেল যেন ভাল হয়ে থাকে সেজন্য অন্য সকল ভালো মনিটরের মত Philips মনিটরেও ১৭৮ ডিগ্রি ভিউইং এংগেল হয়ে থাকে যাতে ছবির কালারে যেন কোন ধরনের পরিবর্তন না হয়। ৭৫ হার্জের Philips 226E9 ডিস্প্লেটি গেমিং এর জন্য সাধারন ৬০ হার্জের প্যানেল থেকে এগিয়ে। তাই বলতেই হয় Philips 226E9 মনিটরটি কাজ+গেমিং দুই কাজেই ব্যবহারযোগ্য।

প্রসংগ, ত্রিপল মনিটর
ডুয়াল মনিটর কাজের ক্ষেত্রে হলেও ফুল ইমারসিভ গেমিং এর জন্য ৩টি মনিটর বা ত্রিপল মনিটর সেটাপ হল আদর্শ। শুটিং কিংবা রেসিং দুটি ক্ষেত্রেই বেজেল-লেস ত্রিপল মনিটর দিতে পারে সর্বোচ্চ গেমিং অভিজ্ঞতা।

সম্প্রতি বাংলা ড্রাইভার নামক একজন প্রফেশনাল রেসার তিনি ৩ টি মনিটর দিয়ে একটি রেসিং সিমুলেটর সেটাপ করেছেন যাতে ৩ টি Philips 226E9 মনিটর ব্যবহার করেছেন।

হটলাইন : 01969 633275

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shop By Department